সরকার দেশের সব জেলায় রেল পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন। তিনি বলেন, কক্সবাজার-দোহাজারী রেলপথ নির্মাণের কাজ প্রায় ৫০ শতাংশ শেষ হয়েছে। বাকি কাজ শেষ হলে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। রেল চালু হলে আন্তর্জাতিকভাবে আরো সমাদৃত হবে কক্সবাজার। এতে পাল্টে যাবে অর্থনৈতিক চিত্র। শনিবার কক্সবাজারের ডিসির সম্মেলন কক্ষে ‘দোহাজারী-রামু-ঘুমধুম সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ ট্র্যাক নির্মাণ’ প্রকল্পে অধিগ্রহণ করা ভূমির ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
রেলমন্ত্রী বলেন, জাতীয় স্বার্থে কক্সবাজারে অনেক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারকে জমি দিচ্ছেন অনেকে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের স্বার্থে এসব জমি নিচ্ছেন আর এর বিপরীতে দিচ্ছেন তিনগুণ ক্ষতিপূরণ।
তিনি আরো বলেন, এ এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল রেলপথ। অনেকে কথা দিয়ে কথা রাখেনি। কিন্তু শেখ হাসিনা আত্মনির্ভরশীল জাতি গঠনে মানুষের জন্য রেলপথ নির্মাণসহ নানা উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করেছেন। মনে রাখতে হবে এটি শুধু কক্সবাজারের না, পুরো দেশের সম্পদ।
মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, ভবিষ্যতে সিঙ্গেল লাইন থেকে ডাবল লাইন ট্র্যাক নির্মাণ করা হবে। সে সময় আর নতুন করে অধিগ্রহণ করতে হবে না। উন্নয়নের জন্য রাজনীতিবিদদের সহযোগিতা প্রয়োজন। কারণ রাজনীতিবিদদের ডিঙিয়ে কোনো উন্নয়ন সম্ভব নয়।
ডিসি মো. মামুনুর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, এমপি আশেক উল্লাহ রফিক, এমপি জাফর আলম, এমপি কানিজ ফাতেমা মোস্তাক, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম রেজা, রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্র নাথ মজুমদার, অ্যাডিশনাল এসপি মো. রফিকুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে অধিগ্রহণ করা ভূমির ২৮ জন ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ৩ কোটি টাকার চেক বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে চকরিয়া পালাকাটা-মেধাকচ্ছপিয়া মৌজার ২৭ জন ও সদরের ঝিলংজা মৌজার একজন চেক পান।